বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী কার্যক্রম:
নির্বাচনের মানে- কোন সৎ ব্যক্তি, শিক্ষিত, নির্ভিক, জনদরদী, মহানুভবাপন্ন, দূরদর্শিতা সম্পন্য ব্যকি্তকে প্র্রতিনিধি মনোনয়ন করাকে নির্বাচন বলে। কিন্তু আামাদের দেশ বাংলদেশ এজন্যই সব কিছুই খাস-বাংলাতে হয়। যেমন, ভ্যান চালক, ইট ভাটার সরদার, অন্যের ক্ষেতে জোন-মুজুরী করে খায়, সমাজের সবচেয়ে অশিক্ষিত শ্রেণীর মানুষেরা জনগনের প্রতিনিধি হয়। বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। যারা কোন কিছুই জানেনা এমনকি নিজের নাম পর্যন্ত স্বাক্ষর করতে পারেনা তারা কিভাবে জনতার প্রতিনিধি হয় তা মনে হয় কারো জানা নেই। আর এটা সরকারের জানা দরকার কিভাবে এরকম শ্রেণীর প্রতিনিধিকে মনোনয়ন দেয়া হয়। কোন কোন কাউন্সিলের মেম্বর চেয়ারম্যানদের হাজিরা খাতায় নিজের নাম অন্যকে খুজে দিতে হয়। সরকারের কি এটা জানানেই যে কাদের প্র্রতিনিধি মনোনয়ন দেয়া প্রয়োজন আর কাদের প্রয়োজন নয় ? সরকারের প্রতিটা ক্ষেত্রে যখন শিক্ষা নিয়ে কম্পিটিশন, ঠিক তখনিই দেশে মুর্খের রাজকাহানি। এটা যদি সরকারের নজরদারির ভেতরে না থাকে তাহলে শিক্ষিত সমাজে অশিক্ষিত প্রতিনিধিরা রাজ করতে পারলেও শিক্ষিত সমাজের মানুষেরা পড়ে যাচ্ছে লজ্জায়। এজন্য যখন চেয়ারম্যান, মেম্বর/মহিলা মেম্বর প্রার্থীর নমিনেশন দেয়া হয় বা নমিনেশন গ্রহনকারী ব্যক্তির শিক্ষাগত যোগ্যতার দিক বিবেচনা করে যেন নমিনেশন দেয়া হয়। এটা সচেতন জনগনের প্র্রত্যাশা।
Post a Comment