ক্যানসারের যন্ত্রণা সইতে না পেরে ৬৫ বছর বয়সী এক
ব্যবসায়ী মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেছে তার স্বজনরা। ব্যবসায়ীর
নাম আবদুল হালিম চৌধুরী। গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ধানম-ি শংকর আবাসিক এলাকার
৯-এ নম্বর সড়কে অবস্থিত তার নিজ বাড়ির (১৩২ নম্বর) পঞ্চম তলার ড্রয়িং রুমের সোফা
সেটের ওপর থেকে হালিম চৌধুরীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঢাকা মেডিক্যাল
কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল শুক্রবার লাশ গ্রহণ করেন মেজর (অব.)
তারেক ইসলাম নামে তারই এক স্বজন।
মৃতের পরিবারের বরাত দিয়ে ধানম-ি থানার ওসি আবদুল লতিফ
জানান, আবদুল হালিমের বাবার নাম ক্যাপ্টেন (অব.) আবদুল মমিন চৌধুরী (মৃত)। তিনি
স্ত্রী নাজমা নাজনিন (৬০) ও একমাত্র ছেলে মায়েন রিদওয়ানকে (২১) নিয়ে ধানম-ির শংকর
এলাকার ১৩২ নম্বর বাসায় থাকতেন। দীর্ঘদিন ধরে হালিম চৌধুরী ক্যানসার ও কিডনি রোগে
ভুগছিলেন। তার চিকিৎসা চলছিল। সম্প্রতি তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। চিকিৎসকরা
তাকে জানিয়ে দিয়েছিলেন তার আরোগ্যলাভের সম্ভাবনা একেবারেই নেই। এই খবর শুনে হতাশায়
ভেঙে পড়েন তিনি। ফলে সবসময় চুপচাপ থাকতেন হালিম চৌধুরী। গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার
দিকে তিনি নিজের লাইসেন্স করা টু-টু বোরের রাইফেলটি পরিষ্কার করার কথা বলে আলমারি
থেকে বের করেন। এর পর ড্রয়িং রুমের সোফায় বসে সবার অগোচরে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা
করেন। খবর পেয়ে পুলিশ রাত ১টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ঢামেক মর্গে পাঠায়।
ওসি আরও জানান, ক্যানসারের যন্ত্রণা সইতে না পেরে
আবদুল হালিম চৌধুরী নিজের লাইসেন্স করা পিস্তল দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা
করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ধানম-ি থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
পেলে তার মৃত্যুর বিস্তারিত কারণ জানা যাবে।
Post a Comment